জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল থেকে বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, গোটা দেশের তরুণ সমাজ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর থাকলেও বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারাদেশে ফ্যাসিবাদীদের চাঁদাবাজি ও দখলবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। নাহিদ ইসলাম জানান, রাতের আঁধারে জুলাই মাসে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে দুটি অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল। এই ঘটনার প্রেক্ষাপট হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কার?
নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি কোনো স্থাপনা অবৈধ হয়ে থাকে, তবে আইন-আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের উন্মত্ত আচরণ কিসের ইঙ্গিত দেয়?
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শোষণের সাম্রাজ্য দখল করেই বিএনপি ক্ষান্ত হয়নি, বরং চাঁদাবাজি ও দখলবাজির পরিমাণ এবং আওতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি দাবি করেন, আঠারো কোটি মানুষ আজ বিএনপির কাছে জিম্মি।
নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এসবের বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে মাতৃভূমি মুক্তি পাবে।