দেশের ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও, বাজারে এটি ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ভোক্তা বাড়তি দামে এলপিজি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিক্রেতাদের মতে, সরবরাহ কম থাকায় তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বেশি দামে এলপিজি কিনছেন। এদিকে, কোম্পানিগুলো জানাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এলপিজির কাঁচামালের দাম ও জাহাজ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮০ শতাংশ রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। পাইপলাইনে গ্যাস সংকটের ফলে এলপিজির চাহিদা আরও বেড়ে গেছে। বিইআরসির ঘোষিত দাম অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও, বাজারে এটি ২১০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এলপিজি ডিলারদের অভিযোগ, চলতি মাসে বেশ কিছু কোম্পানি নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের অর্ডার নিচ্ছে না। অন্যদিকে, কিছু কোম্পানি এলপিজির অর্ডার নিলেও সরবরাহ করতে ৩ থেকে ৭ দিন সময় নিচ্ছে। এর ফলে নিয়মিত চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে।
মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সাঈদ রাজা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে এলপিজির আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জাহাজের ভাড়া দ্বিগুণের বেশি বেড়ে গেছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বাজার স্বাভাবিক করতে হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সমাধান জরুরি। তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে নিয়মিত বাজার ও মিল পর্যায়ে তদারকির তাগিদ দিয়েছেন।