জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় বক্তব্য দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির চাপের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "মানবিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট" সৃষ্টি হয়েছে এবং সংকট সমাধানে আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন এবং বর্তমান সরকারের জনগণের নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, "মানবসৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে বহু জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।" তিনি বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশ তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানায়।"
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে অভিবাসন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের অভিবাসীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।
অবশেষে, তিনি জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য 'রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন' এর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।