২০২৮ সালের মধ্যে দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একই কারিকুলামের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ রাজধানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নজরদারির আওতায় আনা হবে এবং শিক্ষাকে রাজনীতিকরণের বাইরে রাখার তাগিদ দেন আলোচকরা। বক্তারা সমন্বিত শিক্ষা আইনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি জানায়, দেশের শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ ১.৩ শতাংশ, যা মূলত অবকাঠামো ও বেতন-ভাতায় সীমাবদ্ধ।
ডা. তাসনিম জারা বলেন, ‘শিক্ষাকে রাজনীতিকরণ থেকে যত দূরে রাখা যায় ততই ভালো।’ শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী জানান, ‘আমাদের একটা সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রয়োজন।’
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যারা ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষাদান করে, সেটার সংখ্যা দেড় লাখের কাছাকাছি হবে। এর মধ্যে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬০ হাজার বাংলা মিডিয়াম ও কিন্ডার গার্টেন এবং ১০/২০ হাজার হাফেজিয়া মাদরাসা রয়েছে।’
সংলাপে স্কুল পরিচালনা কমিটিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রভাবের বিষয়টিও আলোচিত হয়। এছাড়া সারা দেশে মিড ডে মিল নিশ্চিত করতে চেষ্টার কথা জানালেও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।