বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথগুলোতে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব খাদ্য নিরাপত্তার ওপর পড়ছে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জানিয়েছে, জ্বালানির পাশাপাশি সার রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। হরমুজের পর লোহিত সাগরের বাব আল মান্দেব এলাকায় চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাত বিশ্ব তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে নড়িয়ে দিয়েছে, যার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১শ ডলার ছাড়িয়েছে, যা দেশটির জ্বালানি সংকটকে আরও তীব্র করেছে।
যুক্তরাজ্যে আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতির হার ২.৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩.১ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এশিয়ার দেশগুলোও এই সংকটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে। পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন ভর্তুকি প্রদান করলেও আন্তর্জাতিক বাজারের চাপে তা টেকসই হচ্ছে না।
জাতিসংঘ মহাসচিব কৃষ্ণসাগর দিয়ে পণবাহী জাহাজ চলাচল ঝুঁকিমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার নিন্দা জানাই এবং খাদ্য নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান কার্যকর অবরোধ নিয়ে উদ্বিগ্ন।"
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সতর্ক করেছে যে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ২০২৭ সালের কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।