বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস অয়েল নির্ভরতা বাড়ছে, লোডশেডিং কমার সম্ভাবনা

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস অয়েল নির্ভরতা বাড়িয়ে লোডশেডিং কমানোর পথে সরকার।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস অয়েল নির্ভরতা বাড়ছে, লোডশেডিং কমার সম্ভাবনা

বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে ফার্নেস অয়েল নির্ভরতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অক্টোবর মাসের মধ্যে তরল জ্বালানির বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বাড়াতে চায় সরকার। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ৫০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই উদ্যোগের ফলে শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং কিছুটা লোডশেডিং কমবে। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১৯ শতাংশ ফার্নেস অয়েল নির্ভর, যার স্থাপিত সক্ষমতা ৫ হাজার ৬৪১ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর উদ্যোক্তাদের পাওনা ছিল প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। ৬ থেকে ৭ মাসের বকেয়া বিল না পাওয়ার কারণে অনেকের জ্বালানি আমদানির সক্ষমতা কমে যায়, ফলে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন গড়ে ২ হাজার ২শ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

গত সপ্তাহে সরকারি উদ্যোগে পিডিবি ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করেছে। বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপপা) সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, সরকার প্রায় ৫০ শতাংশ পেমেন্ট সেটেল করেছে এবং কিছু কোম্পানিকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি মাসের শেষদিকে ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর গড় উৎপাদন ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম বলেন, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কম চালিয়ে শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো উচিত।

এদিকে, চলতি বছরের শুরুতে বিপিসির কাছে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ৮৮ হাজার টন ফার্নেস অয়েলের চাহিদা দেওয়া হয়েছিল, যা সম্প্রতি ২ লাখ ৪ হাজার টনে বাড়ানো হয়েছে। বিপিসির মজুদ ও আমদানির প্রক্রিয়ায় থাকা ২ কার্গো মিলিয়ে দেড় লাখ টনের মত সরবরাহ করা যাবে।

বিজ্ঞাপন