রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিমের দাম বেড়ে ৫৫ টাকায় পৌঁছেছে। এক ডজন ডিম কিনতে এখন খরচ করতে হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য ডিমের মতো আমিষ খাদ্যও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে ডিমের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বাজারে পাইকাররা ইচ্ছামতো দাম বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। খুচরা বিক্রেতাদের মতে, পাইকাররা দাম বাড়ানোর জন্য একাধিক কারণে দায়ী।
দৈনিক সমকালের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডিমের বাজারের মূল নিয়ন্ত্রণ বড় ব্যবসায়ীদের হাতে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডিমের বিক্রির মূল্য নির্ধারণ করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের মাধ্যমে।
এদিকে, চট্টগ্রামে ডিমের দামও বেড়ে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় পৌঁছেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের বন্যায় ছয় হাজারের বেশি হাঁস-মুরগির খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে ডিমের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমেছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন অভিযোগ করেছেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা গরিবের খাদ্য থেকে ডিম কেড়ে নিতে চাইছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক আতিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, তাঁরা বাজার তদারকি করছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষ কেন এর সুফল পাচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ডিমের দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষের খাদ্য সংকট অব্যাহত থাকবে।