শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

দুদক: সুপ্রিম কোর্টের নির্মাণ প্রকল্পে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা

সুপ্রিম কোর্টের নির্মাণ প্রকল্পে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক।

দুদক: সুপ্রিম কোর্টের নির্মাণ প্রকল্পে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা

সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার সকালে দুদকের একটি দল ঘটনাস্থল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে অভিযান চালায়।

দুদক জানায়, অভিযানে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রকল্পটিতে টেন্ডার কারসাজি এবং কাজ না করেই বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য ১৪ তলা বিশিষ্ট রেকর্ড ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয় সরকার।

অভিযানে পাওয়া নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পের মূল কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। তবে, অনুমোদন ছাড়াই প্রকল্পটিকে ৮টি আলাদা ভাগে ভাগ করে অন্য ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাব-কনট্রাক্ট দেয়া হয়।

দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘বিধি বহির্ভূতভাবে টেন্ডার আহ্বান করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাজের অস্তিত্ব ব্যাতিরেকেই বিভিন্ন ঠিকাদারের অনুকূলে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।’

এদিকে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাই এবিএম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক। দুদক সচিব জানান, আসামি হারুনুর রশীদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকা, যা তার বৈধ উৎসের তুলনায় অনেক বেশি।

একই দিনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও নিয়োগ দিয়েছে দুদক।

বিজ্ঞাপন