রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি সড়ক যোগাযোগের জন্য নতুন সেতু চালু করা হলো। তুমেন নদীর ওপর নির্মিত এই সেতু দুই দেশের সীমান্তে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ করবে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, সেতুটি মূলত যাতায়াত, পর্যটন ও বাণিজ্যের কাজে ব্যবহৃত হবে। রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এটিকে দুই দেশের বন্ধুত্বের ‘নতুন প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সেতুটি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০০টি যানবাহন ও ২ হাজার ৩২৩ জন মানুষ চলাচল করতে পারবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সামরিক সহায়তা দিতে সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
ট্রুথ হাউন্ডস নামক একটি গোয়েন্দা গবেষণা দলের দাবি, সেতুর প্রধান উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বাণিজ্য নয়; এটি রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধকে সহায়তা করার জন্য একটি গোপন সামরিক সরবরাহপথ হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার গবেষকদের মতে, ইতোমধ্যে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে ৭ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। নতুন সেতু চালু হওয়ায় এই কার্যক্রম আরও সহজ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিশুস্তিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, নতুন সেতু দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে ‘শক্তিশালী গতি’ তৈরি করবে।