জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের মিটার না থাকা সত্ত্বেও আগস্ট মাসের বিল আসার ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। গত ২৫ আগস্ট তিনি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পান।
এলাকাবাসীর মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে গত ৪ সেপ্টেম্বর এটি সবার নজরে আসে। নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাড়িতে আগে পাঁচটি মিটার ছিল। এর মধ্যে একটি মিটার খুলে মন্দিরের জন্য বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করেন তিনি।
পরে আবাসিক মিটারের জায়গায় বাণিজ্যিক মিটার স্থাপন করা হয়। তবে জুলাই মাসের কোনো একসময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও আগস্ট মাসে ওই মিটারের নামে ৬৯২ টাকা বিল আসে।
তিনি বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইনি। গাছ পড়ে মিটার নষ্ট হওয়ার পর তারা সেটি নিয়ে গেছে। তাহলে বিল এলো কীভাবে?’
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছিল। তবে এটি ভুল হয়েছে।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ওই স্থানে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিল। গ্রাহক সেটিকে বাণিজ্যিক মিটারে পরিবর্তনের আবেদন করেছেন, তাই আগের আবাসিক মিটারের আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তিনি জানান, বিষয়টি তদন্তে একটি টিম পাঠানো হয়েছে। তদন্তে কোনো গাফিলতি বা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।