দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এটি শুধু দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক নয়, বরং সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২০১৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার তারাপুর-কমলাসাগর সীমান্তে চালু হওয়া হাটে বাংলাদেশের মেলামাইন, খাদি কাপড়, স্থানীয় তুলা, শুঁটকিসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হত। তবে ২০১৯ সালে করোনা মহামারির সময় হাটটি বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, হাটটি চালু থাকলে ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও পরিবহনসহ বিভিন্ন কাজে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং চোরাচালানও অনেকটা কমে আসে। ফেনীর ছাগলনাইয়ার সীমান্ত হাটটি ২০২৩ সালে চালু হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে এক বছর পর আবারও বন্ধ হয়ে যায়।
কুড়িগ্রামের বালিয়ামারী সীমান্ত হাটেরও একই অবস্থা। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপাকে পড়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভোলাগঞ্জের সীমান্ত হাটটি ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বন্ধ রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও জুড়ীতে দুটি হাট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা জটিলতার কারণে তা থমকে যায়। সীমান্ত এলাকার মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান চান।