প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ২০২২-২৩ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষায় মোট চারটি আপত্তি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি গুরুতর আর্থিক অনিয়ম রয়েছে, যা সরকারের জন্য ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৭ টাকার আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।
অডিট অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, এনজিও নিবন্ধন ও নবায়ন ফি থেকে উৎসে কর না কাটার জন্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিবন্ধন ফি বাবদ আয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি বাবদ আয় হয়েছে প্রায় ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর ১০ শতাংশ উৎসে কর কর্তনের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
আয়কর বিশ্লেষক আশরাফ হোসেন খান বলেন, "আইন অনুযায়ী, এনজিওগুলো বিদেশ থেকে বা দেশ থেকে যে ফান্ড পায়, সে ফান্ডের ওপর আয়কর অব্যাহতি আছে। তবে উৎসে কর কর্তনের বিধান মানা অপরিহার্য।"
এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মতামতের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী কর কর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।"
অডিটের আরেকটি আপত্তিতে সরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানের বাড়ি ভাড়া আদায় নিয়ে সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া আদায় না হওয়ায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৪৫ লাখ ২২ হাজার টাকা।