ইসলামের ইতিহাসে নারীদের মর্যাদা ও অবস্থান পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হলো নবী মুহাম্মদ (সা:)-এর শিক্ষা, যা কন্যাশিশুদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে।
পবিত্র আল-কোরআনের দ্বিতীয় সূরা, সূরা আল-বাকারা, মানবজাতির সৃষ্টি ও ঈমানের মৌলিক বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করে। এই সূরার ৯৮ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর, তার ফেরেশতাদের ও তার রাসূলগণের এবং জিবরাঈলের ও মীকাইলের শত্রু সাজবে, নিশ্চয়ই আল্লাহও, এসব কাফিরদের শত্রু।"
এই আয়াতটি ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক স্পষ্ট করে। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের পাশাপাশি তাঁর প্রেরিত রাসূলগণ ও ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস রাখা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। বিশেষত, জিবরাঈল (আ.) ও মীকাঈল (আ.)-এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
আয়াতটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কেউ যদি আল্লাহ, তার রাসূলগণ কিংবা তাঁর ফেরেশতাদের শত্রুতা করে, তাহলে সে অবস্থান আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হবে। এ ধরনের অবস্থান গ্রহণকারীদের জন্য আল্লাহ নিজেই শত্রু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর ওপর, তাঁর রাসূলগণ ও ফেরেশতাদের ওপর যথাযথ ঈমান আনার এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন।