বাংলাদেশের খাবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন একজন বাংলাদেশি শেফ। তিনি জানান, বিদেশে গিয়ে দেশের খাদ্যসংস্কৃতি কতটা সমৃদ্ধ তা উপলব্ধি করেছেন।
তিনি বলেন, "বাংলাদেশি খাবারের নাম শুনলে অনেকেই অবাক হন। তাই আমাদের পরিচয় তুলে ধরতে হবে।" আয়ারল্যান্ডে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন দেশের শেফদের সঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশের খাবারের বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।
শেফের মতে, দেশের ৬৪ জেলার খাবার এবং রান্নার ঐতিহ্যগুলি এখনও লিখিতভাবে সংরক্ষিত হয়নি। অনেক রেসিপি পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
তিনি আন্তর্জাতিক কিচেনে কাজ করে শিখেছেন, খাবার শুধুমাত্র খাদ্য নয়, বরং একটি দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। বাংলাদেশি খাবার নিয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের শেফ তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন।
বর্তমানে তিনি ইউরোপীয় ও ব্রিটিশ কুইজিন নিয়ে কাজ করছেন, কিন্তু মনে করেন, অন্য দেশের কুইজিন শেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের কুইজিনকেও তুলে ধরা সম্ভব।
শেফের স্বপ্ন, একদিন বিশ্বের বড় বড় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশি খাবারের আলাদা স্থান থাকবে এবং বিদেশি শেফরা বাংলাদেশি খাবার শিখতে আগ্রহী হবেন।
তিনি বলেন, "এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরির বিষয় নয়, বরং দেশের খাবারের পরিচয়কে বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার দায়িত্ব।"