চলতি অর্থবছরের শুরুতেই দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। অর্থ পাচার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর উদ্যোগের ফলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স- দুই খাতেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এসেছে।
জুলাই-আগস্টে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুটি উৎসে এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্সে গত দুই মাসে ৯৩ কোটি ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮৩ কোটি ডলারে, যা ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ৪৯০ কোটি ডলার।
অন্যদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানায়, জুলাই-আগস্টে দেশের রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ৯১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৮৬৯ কোটি ডলার। তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে।
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প উৎপাদনে চ্যালেঞ্জ থাকলেও রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অর্থ পাচারে কড়াকড়ি ও ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর উদ্যোগের ফলে রেমিট্যান্স বাড়ছে।