বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য ভারতের বিশেষ ধরনের সুতা, তুলা ও রাসায়নিকের আমদানি অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন শিল্প মালিকরা। তাদের মতে, এসব পণ্যের সহজ আমদানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, চীনের উপর নির্ভরতা কমাতে ভারত বড় বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে। বর্তমানে ভারতের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। পরবর্তী কয়েক বছরে এই বাণিজ্য ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের ঘরে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৫ সালে বাংলাদেশের জন্য ভারতের মোট রপ্তানি ছিল ১ হাজার ১২৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে বাংলাদেশে ভারতের সর্বোচ্চ রপ্তানি ছিল ১৭৪ কোটি ডলারের পণ্য। তবে, ১ বছরের বেশি সময় ধরে স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সুতা আমদানি বন্ধ রয়েছে, যা প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমাচ্ছে।
বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জানান, উচ্চমূল্যের ভিসকসসহ বিশেষ ধরনের সুতা দেশে তৈরি হয় না, এবং সমুদ্রপথে আমদানি করতে ১ মাস সময় লাগে।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমানে জ্বালানি সংকটে দেশের টেক্সটাইল কারখানাগুলোর উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এ অবস্থায়, ভারতীয় কাপড়-সুতার মতো কাঁচামাল ব্যবহারের পক্ষে গবেষকরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি সংকটের মধ্যে পোশাক রপ্তানির গতি ধরে রাখতে ভারত থেকে কাপড় আমদানি প্রয়োজন। ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েন এড়িয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ জোরদার হলে কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।