শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

সরকারি হাসপাতালে নেই বর্জ্য শোধনাগার, ৮৪ শতাংশ পরিবেশে ছড়াচ্ছে

সরকারি হাসপাতালগুলোর বর্জ্য শোধনাগার নেই, পরিবেশে ৮৪ শতাংশ বর্জ্য ছড়াচ্ছে।

সরকারি হাসপাতালে নেই বর্জ্য শোধনাগার, ৮৪ শতাংশ পরিবেশে ছড়াচ্ছে

ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দী, মিটফোর্ড ও বার্ন ইনস্টিটিউটসহ দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর কোনো বর্জ্য শোধনাগার নেই। এর ফলে সংক্রমিত বর্জ্যের ৮৪ শতাংশ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রাণ ও প্রকৃতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তরল বর্জ্য সরাসরি সুয়ারেজ লাইন, ড্রেন ও নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশকে আরও বেশি দূষিত করছে। ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের কাছে সিটি করপোরেশনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে আবর্জনা রাখার ব্যবস্থা থাকলেও, প্রতিদিন এখানে ২ হাজার ৬০০ শয্যার ঢাকা মেডিকেল ও ৫০০ শয্যার বার্ন ইনস্টিটিউটের বর্জ্য জমা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে হাসপাতালগুলো প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৮০০ টন কঠিন বর্জ্য এবং ৩ লাখ লিটার তরল বর্জ্য উৎপন্ন করছে। এর বেশিরভাগই সিটি করপোরেশন ও পৌর কর্তৃপক্ষ দ্বারা ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, হাসপাতালগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিজস্ব সক্ষমতা নেই, তবে এ বিষয়ে তাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বড় শহর뿐 নয়, উপজেলা পর্যায়েও হাসপাতালের বর্জ্য ফেলার কারণে জীবাণুর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। তাই উৎস থেকেই বর্জ্য পরিশোধনের তাগিদ দিচ্ছেন তারা।

মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ আইনে বিধিমালা ২০০৮ সালে যুক্ত হলেও, ১৮ বছরেও সেগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে মেডিকেলের কঠিন বর্জ্য পরিশোধন করে, তবে তরল ও রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি নদী ও জলাধারে ফেলা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন