নাটোরের মোছা. ফাতেমা খানম চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। চীনের একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে তিনি অর্থসংকটে পড়েন।
বিদেশে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ জোগাড় করতে না পেরে ফাতেমার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবে, সরকারি সহায়তায় তার এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুলের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাতেমার হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেন তারেক রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে ফাতেমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আরও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন হলে তিনি সহযোগিতা করবেন।
ফাতেমা বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের লাভলু খানের মেয়ে। তিনি জিগরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬৭ অর্জন করেন।
এ বিষয়ে ফাতেমা বলেন, "মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর অর্থের অভাবে যখন শঙ্কায় ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রীর এই সহযোগিতা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।" তিনি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে একজন চিকিৎসক হতে চান।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, "ফাতেমার মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের অর্থের অভাবে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে না যায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফাতেমা একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করবেন।