পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক বাণীতে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, মহানবী (সা.)-এর আবির্ভাব মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক মহিমান্বিত ঘটনা, যা সত্য ও আলোর নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব উদাহরণ। তিনি সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার ও ক্ষমাশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.) জাতি, বর্ণ ও সামাজিক অবস্থানের বিভেদ অতিক্রম করে মানবতার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছেন।
বর্তমান বিশ্ব নানা সংকটের মুখোমুখি, যেখানে যুদ্ধ, সংঘাত ও অসহিষ্ণুতার কারণে মানুষের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা এই সংকট মোকাবেলায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তিনি তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানান। তার আদর্শ তরুণদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে উদ্বুদ্ধ করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে গভীর তাৎপর্য বহন করে। তিনি সকলকে মহানবী (সা.)-এর আদর্শকে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণে ধারণ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ অনুসরণের তাওফিক দান করুন।’ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।