রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা রোধে উদ্যোগের অভাব

চট্টগ্রামে জাহাজ ভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ঠেকাতে উদ্যোগের অভাব, নিরাপত্তা সংকট বাড়ছে।

চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা রোধে উদ্যোগের অভাব

চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙা শিল্পে ‘গ্রিন ইয়ার্ড’ স্বীকৃতি পাওয়ার পরও দুর্ঘটনা থামছে না। সম্প্রতি ফেরদৌস শিপ ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে, যা নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়কে আবারও সামনে এনেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো জাহাজ দ্রুত কাটার প্রবণতা এবং নিয়ম মানার অনীহা দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূলে ১৬৫টি নিবন্ধিত শিপ ইয়ার্ড রয়েছে, যার মধ্যে ৩১টি ‘গ্রিন ইয়ার্ড’ সনদপ্রাপ্ত। গত বছরে এসব ইয়ার্ডে ৮৮টি স্ক্র্যাপ জাহাজ ভাঙা হয়েছে।

জাহাজ ভাঙার সময় বিপজ্জনক পদার্থ যেমন তেলের স্লাজ, অ্যাসবেস্টস, সিসা, পারদ এবং ক্যাডমিয়াম বেরিয়ে আসে, যা আড়াল করতে নানা কৌশল অবলম্বন করা হয়। এ বিষয়ে বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, ‘সার্টিফিকেট নিয়ে ফেলেছেন কিন্তু যে পলিসিগুলো আছে সেগুলো মানছেন না, তাহলে কনভেনশনের কী দোষ?’

ইয়ার্ড মালিকরা সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিএসবিআরএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য বিভাগের স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ দেখতে হবে।’

এদিকে, মন্ত্রণালয় শ্রমিক সুরক্ষা, পরিবেশ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান জানান, ‘অবস্ট্যাকলগুলো দূর করে কীভাবে গ্রিন ইয়ার্ড তৈরি করা যায়, সেজন্য সরকার সবকিছু করবে।’

বিজ্ঞাপন