ভারত থেকে ২০টি আধুনিক ব্রডগেজ বগি এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের যাত্রীবাহী রেলের বহরে। রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিব রশিদ জানান, এসব কোচ পাবনা ও খুলনা রুটের ট্রেনে ব্যবহৃত হবে।
দেশে যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন শতাধিক নতুন কোচ। বিশেষজ্ঞরা আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই বগি তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে দেশে যাত্রী সেবায় বড় বাধা হলো কোচের সংকট।
বর্তমানে বিভিন্ন রুটে চলমান ট্রেনগুলোর বেশিরভাগ কোচ পুরনো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ। ফলে যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। ২০২৭ সালের মধ্যে ৫৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য ৪৭৬টি নতুন বগির প্রয়োজন হবে বলে জানা গেছে।
সরকার সংকট কাটাতে দেড় হাজারের বেশি নতুন কোচ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। এ মাসেই ভারত থেকে আসছে প্রথম চালানের আধুনিক ব্রডগেজ কোচ, যার মধ্যে থাকবে এসি স্লিপার, চেয়ার কার, নন-এসি চেয়ার এবং পাওয়ার কার।
রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা, পাবনা ও খুলনা রুটে নতুন ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে। ভারতের কোচগুলো আসার পর তাদের মান যাচাই করা হবে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান জানান, ২০টি কোচ আসার পরও কয়েকশ কোচের প্রয়োজন হবে। সৈয়দপুরের বগি তৈরির কারখানার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের চাহিদা ও দক্ষ জনবল বিবেচনায় নিয়ে রেলের বগি নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। ২০২৪ সালের ২০ মে ১ হাজার ২০৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ২০০ ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগির জন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আরআইটিইএসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।