রাশিয়া, জাপানের রাষ্ট্রদূতকে মস্কোতে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সানাe তাকািচির ‘অ্যান্টি-রাশিয়ান’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। গত সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কুরিল দ্বীপে সফরের পর এই মন্তব্যগুলি করা হয়।
পুতিনের বিতর্কিত সফরটি জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকািচির কাছে ‘গুরুতর’ এবং ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত হয়। তিনি বলেন, “উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলি জাপানের ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক আইন উভয় দিক থেকেই।”
জাপানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই সফরটি জাপানে অ্যান্টি-রাশিয়ান মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে বাধা সৃষ্টি করেছে।
মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২৫ মিনিটের বৈঠক শেষে জাপানের রাষ্ট্রদূত কোনো মন্তব্য না করেই বেরিয়ে যান। কুরিল দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তাকািচির মন্তব্যকে ‘শালীনতার সীমা অতিক্রম’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং টোকিওর ‘সামরিকীকরণের’ নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর রাশিয়া ও জাপানের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
জাপান অন্যান্য জি৭ দেশের সাথে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইউক্রেনকে আর্থিক ও অব্যবহৃত প্রতিরক্ষা সহায়তা প্রদান করছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিনের কুরিলে সফরটি জাপানকে সতর্ক করার একটি উদ্দেশ্য হতে পারে যেন তারা ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বাড়াতে না পারে।