সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

বিএনপির কূটনৈতিক পদক্ষেপকে দুরদর্শী হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা

বিএনপি সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপকে দুরদর্শী হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বিএনপির কূটনৈতিক পদক্ষেপকে দুরদর্শী হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের প্রথম ৬ মাসের কূটনৈতিক পদক্ষেপকে দুরদর্শী হিসেবে মূল্যায়ন করছেন সাবেক কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলেন, বহুমাত্রিক কূটনীতি অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফর ইতিবাচক ফলাফল বয়ে এনেছে।

ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয় অর্জনের পর ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয় এবং চীনের সহায়তার বিষয়টি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মালয়েশিয়া সফরে বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়া ও নিয়মিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

সাবেক কূটনীতিক কর্নেল (অব.) রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী ও দূরপ্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা কূটনীতির একটি বড় অর্জন।”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জানান, “একক শক্তির ওপর নির্ভরশীল হওয়ার পরিবর্তে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।”

বিশ্লেষকরা মনে করেন, মালয়েশিয়ার মাধ্যমে আশিয়ান বাণিজ্য বলয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছে সরকার, তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সময় লাগবে।

রিয়াজুল ইসলাম আরও বলেন, “শুরুর ছয় মাসে যদি ফলাফল আশা করা হয়, তা হবে অযৌক্তিক।”

বিএনপির কূটনৈতিক নীতির ওপর বিশ্লেষকরা ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে মন্তব্য করছেন, যা দেশের স্বার্থ রক্ষায় ভারত ও চীনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করবে।

বিজ্ঞাপন