প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। তিনি শুক্রবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে চীন থেকে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামসহ বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা উপস্থিত ছিলেন। দলের নেতাকর্মীদের বিমানবন্দরে ভিড় করতে আগেই নিষেধ করায় তারা সেখানে যাননি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও সফর সঙ্গী মাহদী আমিন গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কোনো নেতাকর্মী আসেনি, এটি নতুন রাজনৈতিক ধারার অংশ।
মাহদী আমিন আরও জানান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। চীনের বানিজ্যিক করিডোর বিষয়ক প্রস্তাবনাকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, চীন ও মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যে সম্মান দেখিয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের সম্মান।
শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে চীন সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
এর আগে, চীনের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠক করেন। প্রেসিডেন্ট শি জানান, নতুন যুগের জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন।
তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেন এবং বাংলাদেশকে জাতীয় উন্নয়নে নতুন সাফল্যের দিকে নিয়ে যেতে সমর্থন করার কথা জানান।