২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল গত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কম।
এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার, যার মধ্যে প্রায় ৭ লাখ পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করেনি, অন্যদিকে শতভাগ পাস করেছে ৬৬৯টি প্রতিষ্ঠান।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পরীক্ষার খাতার প্রকৃত মূল্যায়নের ফলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, যারা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা পুনরায় পরীক্ষা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন দাবি করেছেন, এসএসসিতে মূল্যায়ণ সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে করা হয়েছে। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের সময় আমরা একটি সংস্কৃতি দেখেছি, যেখানে জিপিএ-৫ ও পাসের হার artificially বাড়ানো হতো।”
এ বছর গড় পাসের হার সবচেয়ে ভালো করেছে ঢাকা, ৭১.৬৩ শতাংশ। সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে ময়মনসিংহ, যেখানে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা ফলের ভিত্তিতে আবেদন করতে পারবেন। ভর্তি কার্যক্রম ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে এবং ক্লাস শুরু হবে দ্রুতই।