মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আবার শুরু হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে টার্মিনালটি বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোর ৩টা ১০ মিনিট থেকে টার্মিনালটি দৈনিক ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।
এখন জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ঘনফুট। পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টার্মিনালটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এটি আরও বেশি সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সেটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়। আবাসিক গ্রাহক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সিএনজি ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন।
বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় সেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।
জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, একটি ইউনিট চালু হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হলেও সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক মেরামত শেষে টার্মিনালটি থেকে দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।