বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভারতের সামনে এখন কেবল দুটি বিকল্প রয়েছে: বাংলাদেশ জনগণ অথবা ফেরারি আসামি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ মন্তব্য করেন মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি জানান, ভারতের সরকারের এই পরিস্থিতির মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে, বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না।