২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যশোরের জাবির ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক বিদেশি নাগরিকসহ ২৪ জনের মৃত্যু ঘটে। দুই বছর পরেও এই ট্র্যাজেডির প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হয়নি। স্থানীয়রা দায়ীদের বিচারের দাবি জানাচ্ছেন।
গণঅভ্যুত্থানের সফল হওয়ার খবরে যশোর শহরজুড়ে আনন্দ মিছিল চলাকালীন হোটেলটিতে কালো ধোঁয়া ও পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সরকারের পতনের পর বিক্ষুব্ধ জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের হোটেলটিতে। প্রথমে ভাঙচুর ও পরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
জাবির ট্রাজেডি নিয়ে অনেক রহস্য থাকলেও তা আজও উন্মোচিত হয়নি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মারুফ হাসান অর্ণব বলেন, ‘প্রকৃত রহস্য উন্মোচিত হওয়া দরকার। কীভাবে এতগুলো মানুষ মারা গেল?’
মামলাটির তদন্ত এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি কাজী বাবুল হোসেন বলেন, ‘তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’
যশোর পাবলিক প্রসিকিউটর সৈয়দ সাবেরুল হক জানান, ‘প্রকৃত ঘটনা সবার সামনে আসুক। দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’ হোটেলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে গিয়ে প্রাণ হারায় চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র আবরার মাশরুন নীল। নীলসহ নিহত ২৩ জনের নাম মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের শহীদের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।