জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার দেশের বিভিন্ন জেলায় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
এছাড়া দিনব্যাপী রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনসহ বিভিন্ন আয়োজনেরও দেখা মিলেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেড় দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছিল ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত এক গণঅভ্যুত্থান।
চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, সব ধরনের বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যেই জুলাই বিপ্লব হয়েছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি সরকার।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ যেভাবে (জাতীয় সংসদের) দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল, অবশ্যই সকল সংস্কার সেই আলোকেই বিএনপি বাস্তবায়ন করবে।’
সিলেটে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে প্রশাসন, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বরিশালে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শহীদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, ‘যে শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, যে শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদকে হটিয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার জন্য দেশের অর্জিত গণতন্ত্রকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকব।’
পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও শহীদদের কবর জিয়ারত মধ্য দিয়ে খুলনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য র্যালী, জুলাই শহিদদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহীর এক তরুণ বলেন, বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে আশানুরুপভাবে তৈরি করতে পারিনি। অন্য একজন তরুণ জানান, জুলাইয়ের চেতনা আমাদের মধ্যে আছে এবং আমরা চাই সেটা অব্যাহত থাকুক।
এছাড়াও খাগড়াছড়ি, দিনাজপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোণা, লক্ষ্মীপুর, ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন জেলায় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।