কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। রবিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই সংকট সোমবার চরম আকার ধারণ করেছে।
সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর সিএনজি রিফুয়েলিং পাম্পগুলোতে গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক পাম্প বন্ধ থাকায় এবং যানবাহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে দৈনিক ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে বাসাবাড়িতে চুলা জ্বলছে না এবং অধিকাংশ সিএনজি পাম্পের সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের ত্রুটি পুরোপুরি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে না।
একজন সিএনজি অটোরিকশা চালক বলেন, "সরকার যেভাবেই হোক আমাদের এই সমস্যাটা সমাধান করে দিক, যাতে আমরা চলতে পারি।" অন্যদিকে, এক যাত্রী জানান, "অনেক দূর থেকে হেঁটে এসেছি। গাড়ির জন্য ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।"