মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে, যখন ইরান সফলভাবে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করে হামলা চালিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে ইসরায়েলকে ধরা হতো এক অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তি, কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাত সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরিয়েছে।
মস্কোভিত্তিক সাংবাদিক ও বিশ্লেষক জন হেলমার বলেন, "ইরান একাধিকবার এমন হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে যা ইসরায়েলের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েল এবং তার মিত্ররা এসব ঘটনার গুরুত্ব কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করলেও, এর কৌশলগত গুরুত্ব অস্বীকার করা কঠিন।
এদিকে, যুদ্ধের চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই সংঘাতে বড় মূল্য দিচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সংঘাতে বিপুলসংখ্যক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছে।
হেলমার জানান, ইসরায়েল একা এই সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালনা করতে পারছে না, মার্কিন সামরিক সহায়তা ছাড়া তাদের পক্ষে ইরানের মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।
এছাড়া, ইরানের জন্য হরমুজ প্রণালি একটি কৌশলগত চাপের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলছে।
এই যুদ্ধের মাধ্যমে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য বদলে ফেলেছে, যা সামরিক আধিপত্যের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। এটি প্রশ্ন তুলছে—ইসরায়েলের সামরিক আধিপত্য কি সত্যিই আগের মতো আছে?