মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাত প্রশমনে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে আসতে হিমশিম খাচ্ছেন। এই সংঘাত নিয়ে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের অবস্থান বিপরীতমুখী।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের নিজের দলের মধ্যেও দ্রুত সমাধানের জন্য চাপ বাড়ছে। ফলে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ইস্যুতে বর্তমানে জটিল সমীকরণের মুখে ট্রাম্প। ইসরায়েল সামরিক চাপ বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, অন্যদিকে সৌদি আরবসহ কয়েকটি আঞ্চলিক শক্তি আলোচনার পথে থাকার পক্ষে।
এই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে দ্বিধায় রয়েছেন। রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও চাপ অনুভব করছেন তিনি, কারণ সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্প বরাবরই দাবি করেছেন যে, ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, হামলার মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর কৌশল কার্যকর হয়নি।
যদি সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, তেহরান হরমুজ প্রণালিতে তাদের প্রভাব ধরে রাখতে চাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালির সংকট সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগের সমাধান হবে না। তাই কূটনৈতিক সমাধানই দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।