কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলে এক যুগ পার হলেও বৈষম্য এখনও কাটেনি। ২০১৫ সালে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়ের পরও এই অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি।
এখানে ছোট ও মাঝারি শিল্পের অভাব রয়েছে এবং আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু থাকলেও তা দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ। স্থানীয়দের মধ্যে কর্মসংস্থানের সংকট দেখা দিয়েছে, যা তাদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এলাকাবাসীর জীবিকা এখনও কৃষিকাজ ও দিনমজুরির ওপর নির্ভরশীল। একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি কলেজ থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা অপ্রতুল। প্রাথমিক স্তরে কিছু শিক্ষার্থী থাকলেও মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে উপস্থিতি খুবই কম।
স্থানীয়দের দাবি, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা আকতার বলেন, 'দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।'
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ৬৮ বছরের বন্দিদশা ও রাষ্ট্রহীন জীবনের অবসান ঘটে। ওই সময় থেকে বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো নাগরিক পরিচয় ও সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেন।