মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন। নতুন সরকারের কূটনীতি সম্পর্কে ধারণা নিতে এবং চীনের সাথে সম্পর্কের গভীরতা যাচাই করতে তিনি বাংলাদেশ সফর করবেন।
গোরের সফরের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। একইদিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথেও তার সাক্ষাৎ হতে পারে।
গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর করেছেন। চীনের পাশাপাশি তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও দৃশ্যমান। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বস্তি থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবির জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলে চীনকে ঠেকানো। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইবেন তারা।"
বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কিছু করতে বাধ্য করতে চাইলেও তা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, "চুক্তিটি সমতাভিত্তিক নয়, অসম চুক্তি; সরকার বাধ্য থাকবে না।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ওবায়দুল হক বলেন, "বাংলাদেশ চীন বা মালয়েশিয়া বা তুরস্কের সাথে সম্পর্ক বাদ দিতে পারে না।" তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।
সার্জিও গোরের সফরের আগে, ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্তা মার্চ ও মে মাসে ঢাকা সফর করেছেন।