ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বিজেপি সরকারের সামনে তিনটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ উত্থাপিত হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো হলো ওড়িশায় নেতার শূন্যতা, নিট পরীক্ষার ইস্যুতে তরুণদের ক্ষোভ এবং অরাজনৈতিক যুব আন্দোলন বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণে প্রভাব পড়তে পারে। তিনি ওড়িশায় বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ মুখ এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সংগঠনের মধ্যে একটি মূল সেতু হিসেবে কাজ করছিলেন।
১৯৫৬ সালে তামিলনাড়ু ট্রেন দুর্ঘটনা, ১৯৫৮ সালে মুন্ধড়া কেলেঙ্কারি এবং ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর বিভিন্ন মন্ত্রীর পদত্যাগের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রেক্ষাপট ভিন্ন, কারণ এবারের চাপ মূলত নেতাহীন, অরাজনৈতিক যুব আন্দোলনের কারণে তৈরি হয়েছে।
নিট প্রশ্নফাঁস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে তরুণদের ক্ষোভ উত্তর প্রদেশের রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি কংগ্রেস বা সমাজবাদী পার্টির মতো বিরোধী দলগুলো এই ক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে বিজেপির জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির কৌশল হবে আন্দোলনের ক্ষোভ প্রশমিত করা এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণে যেতে না দেওয়া। তবে এই কৌশল ব্যর্থ হলে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ বিজেপির জন্য একটি বড় রাজনৈতিক সুযোগ হারানোর মুহূর্ত হতে পারে।