সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

করতোয়া নদীর খনন প্রকল্পে দখল-দূষণ রোধের পদক্ষেপ বাদ

করতোয়া নদীর খনন প্রকল্পে দখল-দূষণ রোধের পদক্ষেপ বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

করতোয়া নদীর খনন প্রকল্পে দখল-দূষণ রোধের পদক্ষেপ বাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড দখল ও দূষণ রোধের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাদ রেখেই করতোয়া নদীর খনন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই নদী রক্ষায় পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা হাইকোর্টে ১০ বছর আগে কিছু নির্দেশনা দিয়েছিল।

সম্প্রতি অনুমোদিত প্রকল্পে দখল-দূষণ রোধের বেশ কিছু কার্যক্রম বাদ পড়েছে, যা সচেতন নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ১৯৮৮ সালের বন্যার পর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নির্মিত স্লুইস গেটের কারণে করতোয়া নদীর পানি প্রবাহ কমে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত কয়েক দশকে দখল ও দূষণের কারণে নদীটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি-বেলা করতোয়া নদী রক্ষায় হাইকোর্টে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করেছিল।

তবে গত ১৬ জুন অনুমোদিত ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার প্রকল্পে শহরের দুই তীরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ইটিপি, ওয়াকওয়ে, পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোসহ অন্তত ৭টি কম্পোনেন্ট বাদ পড়েছে। বগুড়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী স্লুইস গেট অপসারণ, নদীর তলদেশের গভীরতা বাড়ানো এবং প্রশস্ততা বৃদ্ধির কাজ বাস্তবায়ন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বগুড়ায় করতোয়া নদীর তীরে আড়াই হাজার বছর আগে গড়ে উঠেছিল পুণ্ড্রু নগর বা মহাস্থান গড়। নদীর পানিপ্রবাহ ফিরলে কৃষি ও যোগাযোগে সুবিধা হবে এবং বন্যা ও নদী ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আসবে।

বিজ্ঞাপন