শরীয়পুরের এক যুবক, মানিক চোকদার (৩০), অবৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার পথে লিবিয়ায় নিখোঁজ হয়েছেন। তিন মাস ধরে তাঁর পরিবারের কাছে তাঁর কোনো খবর নেই।
মানিকের মুক্তির জন্য ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরিবার জানায়, দালালদের প্রলোভনে পড়ে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। স্থানীয় দালাল আমিনুল বেপারী ও তাঁর সহযোগীরা মানিককে লিবিয়ার বন্দিশালায় নিয়ে যায়।
গত ২৫ এপ্রিল মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও মানিকের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বাবা দেলোয়ার হোসেন চোকদার অভিযোগ করেন, দালালরা ইতালির কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এবং এখন তাঁদের ছেলে নিখোঁজ।
মানিকের মা নিনুজা বেগম বলেন, “তিন মাস ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নাই। দালালরা আমার ছেলেকে কী করেছে? আমি আমার ছেলেকে দেখতে চাই।”
মানিকের চাচা বিল্লাল চোকদার জানান, দালালরা তাঁদের টাকা নিয়ে মানিককে লিবিয়ায় বিক্রি করেছে। তিনি বলেন, “মানিককে সরাসরি ইতালি নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তাঁকে লিবিয়ার মাফিয়ার কাছে বিক্রি করা হয়েছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দালালরা অসহায় পরিবারগুলোকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, “মানবপাচার মামলার তদন্ত চলছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”