উত্তরাঞ্চলে নদ-নদীর পানির স্তর কমতে শুরু করেছে, যা বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে, দুর্গত এলাকায় মানুষের ভোগান্তি এখনও কমেনি। বিশেষ করে নতুন করে ভারী বৃষ্টি বা উজানের ঢল নামলে পরিস্থিতি আবারও খারাপ হতে পারে।
নীলফামারীর নিম্নাঞ্চলে পানি কমে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে স্থানীয়রা। তবে, ডিমলার ছোটখাতা ও বাইশপুকুর গ্রামে নদী-ভাঙনের কারণে পাঁচ শতাধিক পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
লালমনিরহাটে বন্যার পানি কমায় পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে, তবে কাদা-পানিতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।
নেত্রকোণায়ও নদ-নদীর পানি কমছে। কলমাকান্দায় উপদাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে। গাইবান্ধায় নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে, বিশেষ করে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা এলাকায়।
সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে, থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।