বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, দ্রুত কমেছে

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠলেও দ্রুত কমেছে, বন্যার শঙ্কা কেটে গেছে।

তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, দ্রুত কমেছে

লালমনিরহাটের ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সোমবার রাত ১৩ জুলাই বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠলেও মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে তা বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমে এসেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, সোমবার রাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৫২ দশমিক ২৫ মিটার রেকর্ড করা হয়, যেখানে নদীর বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

রাতের দিকে নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হলেও মঙ্গলবার ভোর থেকে পানি কমতে শুরু করে। সকাল ৬টায় পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং দুপুর ১২টায় তা নেমে আসে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে।

স্থানীয়রা জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে, যা নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা সৃষ্টি করে। তবে সকাল থেকে পানি দ্রুত কমে যাওয়ায় কোনো এলাকা প্লাবিত হয়নি, শুধু চরাঞ্চলের কিছু নিম্নাঞ্চলের বাড়িতে পানি ঢুকেছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় জানান, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি বাড়ছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সোমবার রাতে নদীর পানি যেভাবে বাড়ছিল, তাতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তবে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় সেই শঙ্কা আপাতত কেটে গেছে।

বিজ্ঞাপন