মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা, তবে পরিকল্পনার অভাব নিয়ে উদ্বেগ।

অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত। লেবার পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেয়েও, তাঁর সরকার গঠন ও রাষ্ট্রনীতি নিয়ে অস্পষ্টতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীদের মতোই সমস্যায় পড়তে পারেন বার্নহ্যাম।

কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের আগেই ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র বার্নহ্যাম দলের নেতৃত্বে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনিই হতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের ৬০তম প্রধানমন্ত্রী। গত জুনে তিনি নীতি-নির্ধারণী ভাষণে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও দেশ পরিচালনার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তবে, বার্নহ্যামের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও এখনো সেই পরিবর্তনের রূপরেখা নিয়ে নিশ্চিত নয়। যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস বলেন, 'অ্যান্ডি অনেক দিন থেকেই লেবার পার্টির নেতৃত্ব দিতে চাইছিলেন। তবে তাঁর যদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকে, তাহলে দেশ শাসন করা খুব কঠিন হবে।'

বার্নহ্যাম সহকর্মীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বের ব্যাপারে আশ্বস্ত করলেও, অভিযোগ উঠেছে যে তিনি অল্পসংখ্যক সহকারী নিয়ে রুদ্ধদ্বার কক্ষে সরকার পরিচালনার নীতি প্রণয়ন করছেন। মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, সে বিষয়েও অন্ধকারে রয়েছেন সবাই।

লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, বার্নহ্যাম তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর ফলে, ক্ষমতায় বসার আগেই তাঁর প্রতিশ্রুতি পূরণের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব ও অনিশ্চিত পরিকল্পনা লেবার পার্টির ঐক্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বরিস জনসন ও লিজ ট্রাসের মতো অভিজ্ঞ নেতারাও দলের মতবিরোধের কারণে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন।

এ পরিস্থিতিতে জনসমর্থন থাকলেও অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারলে নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়তে পারেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম, এমনটাই শঙ্কা বিশ্লেষকদের।

বিজ্ঞাপন