চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে, তবে পাহাড়ধসের শঙ্কা কাটেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমবে।
ছয়দিন ধরে অতিভারী বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষি জমি তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত ৪১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮ হাজার ৩৪০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। আনোয়ারার উত্তর চাতরী এলাকায় পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছেন না। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আরও বিপদের সৃষ্টি করছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমেছে, যা যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। উত্তর চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি থেকে আসা পানিতে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও রাউজানের নিচু এলাকা ডুবে গেছে।
বান্দরবান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও পটিয়ার গ্রামগুলোও প্লাবিত হয়েছে। সন্দ্বীপে টর্নেডোর আঘাতে অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, ‘পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে।’