বাংলাদেশের প্রায় ১১ কোটি মানুষের এনআইডির ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস ও অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান জোরদার করেছে। সংস্থাটি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর যমুনা টেলিভিশনের ইনভেস্টিগেশন থ্রি সিক্সটি ডিগ্রিতে ‘জয়ের তথ্য বিক্রির ফরমুলা’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে, কীভাবে জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে থাকা নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেআইনিভাবে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটির সূত্র ধরে এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেসকে ব্যবসার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করেন এনামুল হক। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
এই মামলায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সাবেক পরিচালক এম বরকতউল্লাহ এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। দুদক এই বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে।