বিশ্বের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে বসবাস করতে চায়। উন্নত জীবনযাত্রা, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যই একটি শহরকে বসবাসের জন্য আদর্শ করে তোলে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ২০২৬ সালে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, পরিবেশ ইত্যাদি বিষয় মূল্যায়ন করে গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স প্রকাশ করেছে। এই তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা, তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, চতুর্থ স্থানে সিডনি এবং পঞ্চম স্থানে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। প্রতিটি শহরেরই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।
কোপেনহেগেনের প্রথম স্থানে থাকার পেছনে রয়েছে কম ব্যাক্তিগত গাড়ির ব্যবহার, যা শহরটিতে জ্যাম ও পরিবেশ দূষণ কমাতে সাহায্য করেছে। শহরটির বাসিন্দারা সাইকেল কিংবা রেলের মাধ্যমে সহজেই যাতায়াত করতে পারেন।
ভিয়েনা স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় শতভাগ সাফল্যের জন্য দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শহরটির নাগরিকদের সুপেয় পানির চিন্তা নেই এবং আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
মেলবোর্নের তৃতীয় স্থানটি তার সংস্কৃতি, খাবার, সঙ্গীত, ফ্যাশন ও শিল্পের জন্য। শহরটি বিখ্যাত স্টেট লাইব্রেরি, হোসিয়ার লেনের স্ট্রিট আর্ট এবং ন্যাশনাল গ্যালারি অফ ভিক্টোরিয়ার জন্য পরিচিত।
সিডনির প্রকৃতি এবং তার অমূল্য সংস্পর্শ শহরটিকে সেরা বাসযোগ্য শহরগুলোর একটি করে তুলেছে। জুরিখ তার ব্যতিক্রমী জীবনযাপনের জন্য পঞ্চম স্থানে রয়েছে, যেখানে বিশ্ব ব্যাংকিং ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন লক্ষণীয়।