বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি

ভারী বর্ষণে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে বিপর্যয়, পানিবন্দি ১০ হাজারের বেশি মানুষ।

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়েছে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির জনজীবন। বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধস ও রাস্তা তলিয়ে যাওয়ার ফলে বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য পাহাড়ি এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সাজেকে আটকা পড়েছে ৫ শতাধিক পর্যটক।

টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এতে জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শহরের আর্মি পাড়া, লাঙ্গি পাড়া, ইসলামপুর, কাসেম পাড়া, বালাঘাটা ও কালাঘাটাসহ একাধিক এলাকা ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র। নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যটক ও জনসাধারণের জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ির বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দীঘিনালার কবাখালি অংশ ও মেরুং ইউনিয়ন হেডকোয়ার্টার এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ার ফলে সাজেক, বাঘাইছড়ি ও লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, ‘জেলায় ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা, ও কলেজ রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে।’

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। ইতোমধ্যে শহরের ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একরামুল হক ভূইয়া বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা উপজেলায় দুর্যোগ টিম গঠন করেছি। জনপ্রতিনিধিদেরও নিজ নিজ এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, কক্সবাজারের বাঁখখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা অন্তত এক হাজার মানুষকে আতঙ্কিত করেছে।

বিজ্ঞাপন