রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি ফারুকীর

ফারুকী শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।

শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি ফারুকীর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় বিশেষ আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন নির্মাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ড বা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করলেই হবে না, বরং শহীদদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দলগত অপরাধের বিচারের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যকে স্বাগত জানান। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান কী হবে।

ফারুকী অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং গত ১৬ বছরে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করছেন। শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং ভুক্তভোগীদের কষ্ট অস্বীকার করার ফলে নিহতদের পরিবারের জন্য নতুন মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে উপেক্ষা করা সম্ভব হলেও, যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জন হারিয়েছে, তাদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। শহীদদের স্মৃতি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সম্মান রক্ষায় রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

ফারুকী আরও বলেন, প্রয়োজনে ফ্যাসিবাদের পক্ষে প্রচারণা চালানো বা মানবতাবিরোধী অপরাধ অস্বীকার করার মতো কর্মকাণ্ডের জন্য পৃথক আইন করা যেতে পারে। বিকল্প হিসেবে একটি ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।

এছাড়া, ভুক্তভোগীদের স্মৃতিকে অসম্মান করে এমন বক্তব্য বা প্রচার আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান ফারুকী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও রক্তক্ষয়ী একটি অধ্যায়। তাই এই সময়ের ঘটনাগুলোকে সাধারণ রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হিসেবে না দেখে, ভুক্তভোগীদের প্রতি সংবেদনশীলতা দেখিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত।

বিজ্ঞাপন