মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
রাজনীতি

জুলাই আন্দোলনের সময় কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা

জুলাই আন্দোলনের সময় কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়।

জুলাই আন্দোলনের সময় কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সরকার কর্তৃক প্রথমবারের মতো সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরদিন ১৯ জুলাই রাত ১২টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলন দমনে সহায়তা করা এবং জনগণকে অন্ধকারে রেখে নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালানো।

ইন্টারনেট বন্ধের ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ তথ্যগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বাইরে আসতে পারেনি, যা এই ঘটনাকে ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত করে। আন্দোলনের সময় নিহতের সংখ্যা এক সপ্তাহের মধ্যে দুইশ' ছাড়িয়ে যায় এবং ব্যাপক ধর-পাকড় চলতে থাকে।

নানা মহলের চাপে, সপ্তাহখানেকের মধ্যে ইন্টারনেট সেবা ফিরতে শুরু করে, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হয়। ১০ দিন পর মোবাইল ইন্টারনেট চালু হলে মানুষ আন্দোলন দমনের সময় ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের সত্যতা জানতে পারে।

এই সময়ে, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আন্দোলনকারীরা নিজেদের সংগঠিত করতে থাকে এবং নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনাও অনলাইনে দেওয়া হয়।

ইন্টারনেট বন্ধের এই কয়েকদিনে ঘটে যাওয়া অসংখ্য হত্যা এবং হামলার ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সাধারণ মানুষ ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে, যা হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনকে তরান্বিত করে।

বিজ্ঞাপন