যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কয়েক লাখ হাইতি ও সিরিয়ার অভিবাসীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। চলতি সপ্তাহে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাদের অস্থায়ী সুরক্ষা সুবিধা ‘টেম্পোরারি প্রটেক্টেড স্ট্যাটাস’ বা টিপিএস বাতিলের রায় দিয়েছেন।
এই রায়ের ফলে এসব অভিবাসীরা বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন। যুদ্ধ, সহিংসতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া হাইতি ও সিরীয় নাগরিকদের জন্য এই টিপিএস কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল।
২০১০ সালে হাইতির ভূমিকম্পের পর সাড়ে তিন লাখের বেশি এবং ২০১২ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের পর প্রায় সাত হাজার নাগরিক টিপিএস সুবিধার আওতায় আসেন। তবে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর এই সুবিধা বাতিলের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ডেমোক্র্যাটরা এই রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেসম্যান সিলভিয়া গার্সিয়া বলেন, ‘এই রায় সব টিপিএসধারীর জন্য হুমকি। এটি অভিবাসী পরিবারগুলোর আইনি সুরক্ষা কেড়ে নেওয়ার একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা।’
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। ফলে ভবিষ্যতে টিপিএস সুবিধাভোগী অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারেন।