মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করেছে আদালত

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করেছে আদালত, ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে।

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করেছে আদালত

মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর চিত্রনায়ক সালমান শাহের ‘খুনের রহস্য’ উদঘাটনে কবর থেকে তাঁর দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করেছে আদালত। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার বাদী ও অভিনেতার মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম দেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেন। আইনজীবী আবিদ হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ‘বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনবে। ৩০ বছর পর দেহাবশেষ উত্তোলন করে কিছুই পাওয়া যাবে না।’

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সালমান শাহর মরদেহ শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছিল এবং সেখানে কবরস্থ আছে। বাদীপক্ষের মতে, দেহাবশেষ উত্তোলনের ফলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসবে এবং ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হতে পারে।

আদালতে শুনানির সময় বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, গত ২০ মে সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ জুন আদালত সালমান শাহের মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছিল।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইস্কাটন রোডের বাসায় সালমান শাহকে অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে তাঁকে সিলেটের শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমানের স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালে সালমান শাহর মৃত্যুর পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা বিতর্ক ও সন্দেহ রয়ে গেছে। আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশের পর মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিজ্ঞাপন