বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনো দেশ বা গোষ্ঠীর দ্বারা প্রভাবিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। শনিবার বিকেলে কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির জানান, ঢাকা বড় অংশীদার সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ, সময় এবং পরিস্থিতি অনুকূল হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন।’
এদিন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনার ও জাপানের প্রতিনিধি। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তারা চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ, এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরের আগ মুহূর্তে কূটনীতিকদের সঙ্গে দেখা করাকে নিয়মিত সাক্ষাৎকার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকার প্রধানের সফর নির্ধারণ করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে।
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছর দেখেছেন গোলামীর সরকার। এই গোলামীর সরকার আমরা নই। আমাদের তো কেউ নাচাবে না। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী ঠিক করব।’
পাঁচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার তার সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘পাঁচার হওয়া টাকা বা সম্পদ উদ্ধার আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এটা যুক্তরাজ্যে পাঁচার হোক আর মধ্যপ্রাচ্যে হোক, আমরা সেই টাকা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।’
এছাড়া, আসন্ন বিজয় দিবসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চায় সরকার। এ জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানের ২ কোম্পানি সুমিটোমো ও নিপ্পন কোয়ে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য রাষ্ট্রদূতের সহায়তা চেয়েছেন।