স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আচরণবিধি হালনাগাদ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানায়, এ মাসের মধ্যেই মতামত জানাতে হবে।
নতুন খসড়ায় প্রার্থীর অঙ্গীকারনামা তুলে নেওয়ার কারণে যোগ্যতার মাপকাঠি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের নির্বাচন প্রতিরোধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও নির্বাচনী আইনের সমন্বয় প্রয়োজন।
নির্দলীয় নির্বাচন হওয়ায় দলীয় ও ব্যক্তি পর্যায়ে অঙ্গীকারনামার প্রয়োজন নেই বলেও মত রয়েছে। এ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইসি ৫ স্তরের নির্বাচনের জন্য আলাদা আচরণবিধির খসড়ার বিষয়ে মতামত চেয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে এই মতামত জানাতে হবে। এবারের নির্বাচনে দলীয় কিংবা প্রার্থীর অঙ্গীকারনামা থাকবে না, ফলে সব দলের সমর্থকদের ব্যক্তি হিসেবে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের সাবেক যুগ্ম সচিব (আইন) ড. মোহাম্মদ শাহজাহান সাজু বলেন, "এটি রাজনৈতিক পর্যায়ে নেই, তাই আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা অন্য দলের সমর্থকরা নির্দলীয় নির্বাচন করছে।"
বিশেষজ্ঞরা জানান, প্রার্থীর অঙ্গীকারনামার বিধান না থাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যদেরও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলিম বলেন, "সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়েও নজর দেওয়া প্রয়োজন।"
খসড়া আচরণবিধিতে নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার বিষয়টি যথাযথ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মাইকের ব্যবহার সংক্ষেপিত করা হয়েছে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রাখা হয়েছে।